Android বা iPhone যেটাই থাকুক, xbagi অ্যাপে সব ধরনের গেম, লটারি, স্পোর্টস বেটিং ও লাইভ ক্যাসিনো এক জায়গায়। বিকাশ ও নগদে সরাসরি লেনদেন।
প্ল্যাটফর্ম বেছে নিন
Android, iOS বা সরাসরি ব্রাউজার — xbagi সব ডিভাইসে কাজ করে
Android-এ কীভাবে ইন্সটল করবেন?
মাত্র পাঁচটি ধাপে xbagi অ্যাপ আপনার ফোনে চালু করুন
স্মার্টফোন এখন শুধু যোগাযোগের মাধ্যম নয়, এটা বিনোদনের সবচেয়ে কাছের সঙ্গী। রিকশায় চলতে চলতে, দুপুরের খাবারের বিরতিতে বা রাতে বাড়ি ফেরার পথে — মোবাইলেই সব হচ্ছে। এই বাস্তবতাটা মাথায় রেখেই xbagi তার অ্যাপটা তৈরি করেছে। একটা অ্যাপে লটারি, ক্যাসিনো, স্পোর্টস বেটিং আর লাইভ ডিলার গেম — সব এক জায়গায়।
বাংলাদেশে মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা যেভাবে বাড়ছে, সেটা দেখলে বোঝা যায় মানুষ এখন মোবাইলকেই প্রধান ডিভাইস হিসেবে ব্যবহার করছে। ঢাকা, চট্টগ্রাম থেকে শুরু করে ছোট শহর ও গ্রামেও এখন 4G নেটওয়ার্ক পৌঁছে গেছে। xbagi-র অ্যাপটা ঠিক এই পরিবেশটাকে মাথায় রেখে ডিজাইন করা হয়েছে — কম ডেটায়ও চলে, স্লো কানেকশনেও ল্যাগ করে না।
অ্যাপটার সাইজ মাত্র চব্বিশ মেগাবাইট। এটা ইচ্ছাকৃত। অনেক অ্যাপ এত বড় হয় যে ইন্সটলের আগেই মানুষ হাল ছেড়ে দেন। xbagi ভেবেছে যে, অ্যাপটা যদি হালকা হয় তাহলে যেকোনো ফোনেই চলবে। পুরনো বাজেট ফোনেও এটা মসৃণভাবে কাজ করে। Android 6.0 বা তার উপরের যেকোনো ভার্সনেই চলে, তাই বেশিরভাগ বাংলাদেশি স্মার্টফোনে কোনো সমস্যা হওয়ার কথা নয়।
ইন্সটলের পর প্রথমবার অ্যাপ খুললে যেটা চোখে পড়বে সেটা হলো ইন্টারফেসের পরিচ্ছন্নতা। অনেক গেমিং অ্যাপে এত বেশি বিজ্ঞাপন আর পপআপ থাকে যে আসল কাজটা খুঁজে পাওয়াই কঠিন হয়। xbagi-র অ্যাপে মূল বিভাগগুলো নিচে ট্যাবে সাজানো — লটারি, স্পোর্টস, ক্যাসিনো, অ্যাকাউন্ট। এক ট্যাপেই যেকোনো জায়গায় যাওয়া যায়।
লগইনের ব্যাপারটা বিশেষভাবে সহজ করা হয়েছে। মোবাইল নম্বর আর পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করা যায়। চাইলে চার সংখ্যার PIN সেট করে রাখতে পারেন, পরেরবার থেকে সেই PIN দিলেই ঢুকে যাবেন। Android ফোনে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর থাকলে সেটাও ব্যবহার করা যায়। iPhone-এ Face ID দিয়ে এক নজরেই অ্যাপ খুলে যায়।
পেমেন্টের দিকটা xbagi-র সবচেয়ে শক্তিশালী দিকগুলোর একটা। বিকাশ, নগদ আর রকেট — এই তিনটি মোবাইল ব্যাংকিং সেবা সরাসরি অ্যাপের মধ্যে থেকেই ব্যবহার করা যায়। বাইরে গিয়ে আলাদা অ্যাপ খুলতে হয় না। ডিপোজিটের টাকা সাথে সাথেই অ্যাকাউন্টে যোগ হয়, আর উইথড্রয়ের টাকাও সাধারণত পনের মিনিটের মধ্যে মোবাইল ব্যাংকিংয়ে চলে আসে।
লটারির ভক্তদের জন্য অ্যাপের লটারি সেকশনটা একটা বাড়তি আনন্দ। প্রতিটি আসন্ন ড্রয়ের কাউন্টডাউন টাইমার দেখা যায়। টিকিট কেনার পর নোটিফিকেশন সেট করে রাখলে ড্রয়ের সময় ফোনে অ্যালার্ট আসে। ড্র শেষে ফলাফলও তাৎক্ষণিকভাবে দেখা যায়। জিতলে ব্যালেন্সে স্বয়ংক্রিয়ভাবে টাকা যোগ হয় এবং একটা বিশেষ নোটিফিকেশন আসে।
স্পোর্টস বেটিং সেকশনে ক্রিকেট, ফুটবল, কাবাডি ও অন্যান্য খেলার লাইভ অডস দেখা যায়। বাংলাদেশ জাতীয় দলের খেলার সময় অ্যাপে আলাদা ফিচার্ড সেকশন থাকে। লাইভ স্কোর আপডেট হয় রিয়েল-টাইমে, তাই খেলা দেখতে দেখতেই বেট করা যায়। ইন-প্লে বেটিং xbagi অ্যাপের অন্যতম জনপ্রিয় ফিচার।
ক্যাসিনো বিভাগে লাইভ ডিলার গেম অনেকের মনে আলাদা জায়গা করে নিয়েছে। আন্দার বাহার, তিন পাত্তি, রুলেট — এই গেমগুলো লাইভ ক্যামেরায় সরাসরি দেখা যায়। ডিলারের সাথে চ্যাটে কথাও বলা যায়। ফোনের ছোট স্ক্রিনেও ভিডিও কোয়ালিটি বেশ ভালো থাকে, কারণ অ্যাপ স্বয়ংক্রিয়ভাবে নেটওয়ার্কের গতি অনুযায়ী ভিডিও রেজোলিউশন ঠিক করে নেয়।
অনেকে জিজ্ঞেস করেন যে APK ডাউনলোড করা কি নিরাপদ? xbagi-র অফিশিয়াল ওয়েবসাইট থেকে নামানো APK সম্পূর্ণ নিরাপদ। প্রতিটি রিলিজের আগে কোড সিকিউরিটি অডিট করা হয়। অ্যাপটি ব্যবহারকারীর ফোনে কোনো অতিরিক্ত পারমিশন চায় না — শুধু ইন্টারনেট, নোটিফিকেশন এবং স্টোরেজ (ক্যাশের জন্য) এই তিনটি পারমিশনই দরকার।
অ্যাপ আপডেটের বিষয়টাও xbagi অনেক সহজ করে রেখেছে। নতুন ভার্সন বের হলে অ্যাপের ভেতর থেকেই নোটিফিকেশন আসে এবং এক ট্যাপে আপডেট করা যায়। বাইরে গিয়ে আবার APK খুঁজতে হয় না। আপডেটগুলো সাধারণত ছোট প্যাচ হিসেবে আসে, তাই ডেটা খরচও কম হয়।
xbagi-র কাস্টমার সাপোর্ট টিম চব্বিশ ঘণ্টা সাত দিন কাজ করে এবং অ্যাপের ভেতর থেকেই লাইভ চ্যাটে যোগাযোগ করা যায়। বাংলায় কথা বলা যায়, তাই ভাষার কোনো সমস্যা নেই। ইন্সটলে সমস্যা হলে বা অ্যাকাউন্টে কোনো প্রশ্ন থাকলে সাপোর্ট টিম সাধারণত পাঁচ মিনিটের মধ্যে সাড়া দেয়।
অ্যাপের বিশেষ ফিচারসমূহ
xbagi অ্যাপে যা পাচ্ছেন তা অন্য কোথাও একসাথে পাবেন না
সিস্টেম রিকোয়ারমেন্ট
আপনার ডিভাইস সাপোর্ট করে কিনা দেখুন
ব্যবহারকারীদের মতামত
সচরাচর জিজ্ঞাসা